HTC কেন ব্যর্থ হলো? (Why did HTC failed?) — একসময়ের Android রাজার পতন ও ফিরে আসার সত্যিকারের সম্ভাবনা

২০১১ সাল। HTC তখন Samsung ও Apple-কে পেছনে ফেলে মার্কিন smartphone বাজারে এক নম্বর। মানুষ লাইন দিয়ে HTC phone কিনছে। তাদের কাছে HTC একটা ভরসার নাম।  Tech সাংবাদিকরা তাদের পত্রিকাতে  লিখছেন  “এই Taiwanese কোম্পানিটি হয়তো Apple-এর সত্যিকারের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে।“ মানুষের কাছে অ্যাপেল বা স্যামসাঙ এর চেয়েও ভরসার নাম HTC।

আজ, ২০২৬ সালে, সেই গল্পটা বললে অনেকে হাসবেন। কেউ কেউ জিজ্ঞেস করবেন — HTC এখনো আছে? এরা কি এখনও আগের সে গৌরব ধরে রেখেছে?  why did HTC failed?

হ্যাঁ, আছে। কিন্তু কোথায় আছে, কীভাবে আছে — সেটাই এই লেখার বিষয়। এটি কোনো প্রচলিত ‘failure story’ নয়। বরং এটি একটি কোম্পানির গল্প যারা সব ঠিকঠাক করেও হেরে গেছে  এবং সেই হারের ধরনটা আজকের যেকোনো tech startup বা business-এর জন্য গভীরভাবে শিক্ষণীয় হতে পারে।

সোনালী দিন: ১৯৯৭ থেকে ২০১৩

HTC- বা High Tech Computerর শুরুটা খুব বেশি রাজকীয় ছিল না। ১৯৯৭ সালে Taiwan-এ প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানি শুরুতে ছিল একটি contract manufacturer — অর্থাৎ অন্য ব্র্যান্ডের জন্য device তৈরি করত  কিন্তু নিজেদের নামে বিক্রি করত না। Compaq-এর জন্য PDA, Microsoft-এর জন্য Windows Mobile device — এই ছিল তাদের ব্যবসা।

কিন্তু ২০০৬ সালের পর থেকে তারা নিজস্ব পরিচয় তৈরি করতে শুরু করে। তারপর ২০০৮ সালে এলো সেই মুহূর্তটা  যেটা HTC-র পুরো ইতিহাস বদলে দিয়েছিল।

T-Mobile G1, যাকে HTC Dream-ও বলা হয়, ছিল বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক Android smartphone। Google-এর Android OS-এর প্রথম বাস্তব রূপ। আজ আমরা যে Android দুনিয়ায় বাস করি, সেই দুনিয়ার দরজাটা HTC-ই খুলে দিয়েছিল।

কিংবদন্তি Models — যে Phones ইতিহাস লিখেছিল

HTC কেবল phone বানায়নি — তারা smartphone-এর সংজ্ঞাটাই বারবার নতুন করে লিখেছে। নিচের প্রতিটি device শুধু একটি product ছিল না, ছিল একটি statement।

HTC Dream / T-Mobile G1  (2008)  —  ইতিহাসের প্রথম Android Phone

একটি slide-out QWERTY keyboard, trackball navigation, Google Maps integration। যারা এই phone ব্যবহার করেছেন তারা জানেন  এটি দেখতে সুন্দর ছিল না, কিন্তু যা করত তা সেই সময়ে ছিল কার্যত magical। Android ecosystem-এর ভিত্তিপ্রস্তর।

HTC Desire  (2010)  —  Android-কে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে গেল

HTC Desire ছিল সেই phone যেটি ‘Android’ শব্দটাকে mainstream করে দিয়েছিল। AMOLED display, Snapdragon processor, HTC Sense UI  এই সবকিছু মিলিয়ে এটি ছিল তখনকার সেরা Android অভিজ্ঞতা। UK-তে এটি এত দ্রুত বিক্রি হয়েছিল যে stock শেষ হয়ে গিয়েছিল বারবার।

HTC EVO 4G  (2010)  —  Sprint-এর ইতিহাসের সর্বোচ্চ বিক্রয়

iPhone 4 যখন 3G-তে আটকে আছে, EVO 4G তখন 4G WiMAX নিয়ে এসেছে। Launch weekend-এ Sprint-এর সব location-এ stock শেষ। এই phone-টির কথা বলতে গেলে একটা কথাই মনে আসে — সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকা মানেই বাজার জেতা নয়, কিন্তু EVO 4G সেটা প্রমাণ করেছিল উল্টো পথে।

HTC One M7  (2013)  —  Critics-এর মতে HTC-র সর্বকালের সেরা

Full aluminium unibody design, BoomSound dual front-facing speaker, UltraPixel camera। এই phone-টি দেখলে বোঝা যেত — HTC সত্যিই জানত premium কাকে বলে। Samsung তখনো plastic body-তে। Apple তখনো একটি design রেঞ্জে আটকে। HTC One M7 সেই বছর প্রায় প্রতিটি ‘Best Smartphone’ তালিকায় ছিল। এটিই সম্ভবত HTC-র সোনালী মুহূর্ত — এর পরে আর কখনো তারা এই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি।

HTC One M8  (2014)  —  Metal যখন plastic-কে হার মানাল

M7-এর পরে M8 এসেছিল আরও refined design নিয়ে। Duo Camera, আরও বাঁকানো aluminium chassis, আরও ভালো BoomSound। কিন্তু এটা লক্ষ্য করার বিষয় — M8 দারুণ ছিল, কিন্তু M7-এর মতো ‘আহা’ মুহূর্ত তৈরি করতে পারেনি। এই ধারাটাই পরে HTC-র জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

HTC U11  (2017)  —  HTC-র শেষ বড় উদ্ভাবন

Edge Sense — phone-এর পাশ চেপে command দেওয়া। DxOMark-এ সর্বোচ্চ camera score। U11 প্রমাণ করেছিল HTC-র ভেতরে এখনো উদ্ভাবনী মানুষ আছেন। কিন্তুততদিনে বাজার অনেকটাই সরে গেছে। এই phone-টা অন্য সময়ে এলে হয়তো ইতিহাস অন্যরকম হতো।

পতনের গল্প: কী হয়েছিল আসলে? why did HTC failed

HTC-র পতন নিয়ে অনেকেই একটা সহজ ব্যাখ্যা দেন — Samsung ও Apple এত বড় হয়ে গেছে যে অন্য কারো পক্ষে টিকে থাকা সম্ভব ছিল না। এই ব্যাখ্যাটা অসম্পূর্ণ। আসলে এটা শুধু বাইরের চাপের গল্প নয় — HTC নিজেই বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যেগুলো আজ ফিরে তাকালে অবিশ্বাস্য মনে হয়।

১. Marketing — শুধু ‘Quietly Brilliant’ দিয়ে হয় না

HTC-র marketing strategy নিয়ে একটা কথাই বলা যায় — এটা ছিল বিপর্যয়কর। তাদের slogan ছিল ‘Quietly Brilliant’। শুনতে intellectual লাগে, কিন্তু এই tagline-এ কোনো energy নেই, কোনো ambition নেই।

Samsung তখন বিলিয়ন ডলার ঢালছে advertising-এ। Apple-এর প্রতিটি product launch একটি ঘটনা হয়ে যাচ্ছে। আর HTC? Robert Downey Jr.-কে দিয়ে bizarre sketch বানাচ্ছে যেখানে phone-এর কথা প্রায় নেই বললেই চলে। ‘Cellami’ campaign-এ Samsung ও Apple-কে ব্যঙ্গ করতে গিয়ে নিজেদেরই হাস্যকর করে ফেলেছে।

SlashGear-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী: HTC-র case study থেকে একটাই শিক্ষা — দুর্দান্ত idea কিছুই না, যদি সেটা ঠিকমতো communicate না করা যায়। Tech-এর দুনিয়ায় marketing আর product একই রকম গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে একটা interesting প্রশ্ন আসে — HTC-র engineers যে talent নিয়ে কাজ করতেন, সেটা নিয়ে কারো সন্দেহ নেই। Google যখন ২০১৭ সালে HTC-র design team কিনে নিল, সেই team-এর তৈরি Pixel phone line আজ Google-এর সবচেয়ে সফল hardware product। অর্থাৎ problem ছিল execution-এ, vision-এ নয়।

২. ১০০টি Phone, শূন্য Identity

২০০৯ সালে HTC এক বছরে ১০০-এরও বেশি phone বাজারে এনেছিল। শুনতে impressive লাগে। আসলে এটা ছিল strategy-র সম্পূর্ণ অভাব।

Samsung যখন ‘Galaxy S’-কে একটি clear identity দিচ্ছে — প্রতি বছর একটা flagship, একটা clear upgrade path — HTC তখন naming convention নিয়ে নিজেই বিভ্রান্ত। HTC One, তারপর HTC One M7, M8, M9, তারপর HTC U — কোনো coherent narrative নেই। Consumer-রা বুঝতেই পারছে না কোন phone কিনবে, কোনটা flagship আর কোনটা mid-range। যার কারনে তাদের নিজেদের মার্কেট নিজেরা শেষ করে ফেলে। আখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চলে আসে। আপনি যখন আপনার একটা পণ্যকে যার কাজ একটা, সে পণ্যকে বিভিন্ন নাম দিয়ে, বা মডেল  চাহিদার বেশি উদপাদন করে ফেলবেন, তখন আপনার ক্রেতারা বিভ্রান্তিতে পরে যাবে। এখানে ঠিক সেম জিনিষটাই হয়েছে।

Osum-এর বিশ্লেষণ এই বিষয়ে বেশ সরাসরি: ২০১১ সালে মার্কিন বাজারে HTC-র share ছিল ১০.৭%। ২০১৯ সালে সেটা নেমে এসেছিল ০.১%-এ। এই পতনের পুরোটা প্রতিযোগিতার চাপে নয় — এর একটা বড় অংশ HTC নিজে নিজেকে দিয়েছে।

৩. ভুল সময়ে ভুল বিনিয়োগ

২০১১ সালে HTC-র হাতে প্রচুর নগদ অর্থ ছিল। ঠিক সেই সময়ে Samsung Galaxy S2 বাজারে ঝড় তুলছে। Apple iPhone 4S বিক্রি হচ্ছে রেকর্ড সংখ্যায়। এটাই ছিল HTC-র জন্য বড় বিনিয়োগের সঠিক মুহূর্ত।

কিন্তু তারা বেছে নিল অন্য পথ। Apple-এর patent মামলা থেকে রক্ষা পেতে তারা কিনে নিল PC graphics manufacturer S3 Graphics  ৩০০ মিলিয়ন ডলারে। এই সিদ্ধান্তটা আজ ফিরে তাকালে মনে হয়  এটা কি সত্যিই কেউ ভেবেচিন্তে নিয়েছিল? মূল ব্যবসা থেকে মনোযোগ সরিয়ে patent যুদ্ধে নামা, ঠিক যখন competition সবচেয়ে তীব্র — এটা হয়তো HTC-র সবচেয়ে বড় কৌশলগত ভুল।

৪. দুই দিক থেকে চাপ — Apple ও Chinese brands

Premium segment-এ Apple। Mid-range ও budget-এ Xiaomi, Huawei, Oppo। HTC ছিল মাঝখানে — এবং মাঝখানে থাকা মানেই দুই দিক থেকে চাপ খাওয়া।

Chinese OEM-গুলো কম দামে এমন hardware দিতে শুরু করল যেটা HTC-র সাথে সরাসরি compete করতে পারে। আর Apple-এর iOS ecosystem এবং Samsung-এর বিশাল advertising machine-এর বিরুদ্ধে HTC-র কাছে কোনো কার্যকর উত্তর ছিল না।

৫. Innovation ছিল, কিন্তু execution ছিল না

HTC One M9 — M7 ও M8-এর পরে আসা flagship। সবার প্রত্যাশা অনেক বেশি। কিন্তু phone-টি বাজারে এসেই সমালোচনার মুখে পড়ল overheating-এর সমস্যায়। Design-ও M8-এর চেয়ে তেমন কোনো উন্নতি দেখাতে পারল না।

Software update দেরিতে আসত। HTC Sense UI ভারী ছিল। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো জমা হতে হতে একটা perception তৈরি করে দিল — HTC আর reliable নয়। Brand-এর বিশ্বাসযোগ্যতা একবার নষ্ট হলে ফিরিয়ে আনা অনেক কঠিন।

টার্নিং পয়েন্ট: ২০১৭ এবং Google

২০১৭ সালে Google HTC-র design team-এর একটি বড় অংশ কিনে নিল — প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলারে। HTC-র ২,০০০ জনেরও বেশি engineer Google-এ চলে গেলেন।

Google and HTC Announce US$1.1 Billion Cooperation Agreement (PRNewsfoto/HTC Corporation)

এই deal-টা HTC-র জন্য কিছুটা আর্থিক স্বস্তি এনেছিল। কিন্তু একটা বার্তাও দিয়েছিল — smartphone race-এ HTC আর একটি major player হিসেবে নিজেকে দেখছে না।

এখানে irony-টা লক্ষণীয়: সেই একই engineers, Google Pixel team-এ গিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে পুরষ্কারজয়ী Android camera তৈরি করলেন। HTC-তে থাকলে হয়তো এটাই হতো HTC-র success story।

বর্তমান অবস্থা: ২০২৪–২০২৫

HTC এখন দুটো ভিন্ন পরিচয়ে বেঁচে আছে। এক, smartphone segment-এ — যেখানে তারা এখনো আছে, কিন্তু বৈশ্বিক market share মাত্র প্রায় ২%। HTC U24 Pro-র মতো device বাজারে আসছে, কিন্তু সেটা নিয়ে তেমন আলোচনা নেই।

দুই, VR ও XR segment-এ — যেখানে HTC VIVE এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। VIVERSE platform, VIVE Focus Vision headset, enterprise XR solutions — এটাই এখন HTC-র মূল পরিচয়।

তবে সৎ থাকতে হলে একটা কথা বলতেই হবে — ২০২৪ সালে HTC-র revenue আগের বছরের তুলনায় ৩০% কমেছে। ২৫০ মিলিয়ন ডলারের Google deal না থাকলে quarterly profit-ও থাকত না। Operating loss ছিল NT$1.14 billion। এই সংখ্যাগুলো উপেক্ষা করলে চলবে না।

ফিরে আসা কি সম্ভব? একটি সৎ মূল্যায়ন

সুযোগের জায়গাগুলো

VR market নিয়ে numbers-গুলো দেখলে আশার কারণ আছে। Technavio-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, global VR market ২০২৪ থেকে ২০২৯-এর মধ্যে ১৩৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে। Education, healthcare, enterprise training — এই segments-এ VR-এর চাহিদা বাড়ছে দ্রুতগতিতে।

HTC-র VIVERSE platform এই দিক থেকে interesting। ২০২৪ সালে Taiwan-এর ৬০-এরও বেশি স্কুলে VIVERSE ব্যবহার হয়েছে শিক্ষায়। Viverse Create — একটি no-code tool যেটা দিয়ে সাধারণ মানুষ virtual world তৈরি করতে পারে — এটা নিয়ে কিছুটা সম্ভাবনা আছে।

Google-এর সাথে Android XR-এ collaboration, NTT Com-এর সাথে Japan-এ immersive entertainment-এর উদ্যোগ — এই partnerships গুলো বলে যে HTC এখনো বড় partners-এর কাছে credible।

যে চ্যালেঞ্জগুলো সহজ নয়

কিন্তু এখানে একটা বড় সমস্যা আছে। VR বাজারে HTC একা নয়।

  • Meta Quest series-এর কাছে consumer VR market কার্যত হারিয়ে দিয়েছে। Meta-র $500 billion-এর বেশি Metaverse investment-এর বিপরীতে HTC-র resources অনেক সীমিত।
  • Apple Vision Pro premium XR segment দখল করার চেষ্টা করছে।
  • Sony PlayStation VR gaming segment-এ শক্তিশালী।
  • Chinese VR brands দ্রুত বাড়ছে, আবার সেই পুরনো price war-এর মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

HTC বলছে আগামী দুই বছরে ৬০% annual revenue growth হবে। এটা উচ্চাভিলাষী — খুব উচ্চাভিলাষী। Taiwan tech industry-র গড় projection হলো ১৮%। HTC-র target সেটার তিনগুণেরও বেশি। সম্ভব কিনা বলা কঠিন, তবে impossible বলাটাও হয়তো ঠিক হবে না।

তাহলে উত্তরটা কী?

Smartphone-এ HTC-র ‘top’-এ ফেরার সম্ভাবনা — সত্যি কথা বলতে গেলে — এই মুহূর্তে প্রায় নেই বললেই চলে। Samsung ও Apple-এর যে ecosystem lock-in তৈরি হয়েছে, Xiaomi ও Oppo-র মতো Chinese brands-এর price advantage আছে — এই দুই দিকের মাঝখানে HTC-র জন্য জায়গা নেওয়া আগের চেয়েও কঠিন।

VR ও XR-এ সম্ভাবনা আছে — কিন্তু সেটা consumer market-এ নয়। Enterprise sector — healthcare simulation, military training, architectural visualization, remote education — এই জায়গাগুলোতে HTC VIVE-এর একটা credible position তৈরি করার সুযোগ আছে। এটা হয়তো smartphone-এর দিনের মতো glamorous নয়, কিন্তু sustainable হতে পারে।

যে শিক্ষাগুলো HTC আমাদের দিয়ে গেছে

Nokia, BlackBerry, HTC — এই তিনটি নামের মধ্যে একটা মিল আছে। তিনটি কোম্পানিই তাদের সময়ে genuinely দুর্দান্ত product বানিয়েছে। তিনটিই হেরেছে মূলত নিজেদের কারণে, বাইরের কারণে নয়।

HTC-র গল্প থেকে যদি কিছু নেওয়ার থাকে, সেটা মনে হয় এটাই — দুর্দান্ত product বানানো যথেষ্ট নয়। সেই product-এর গল্পটা বলতে জানতে হয়। Focus রাখতে হয়। বাজার কোন দিকে যাচ্ছে সেটা বুঝতে হয়, এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে বদলাতে হয়।

HTC এই শিক্ষাগুলো হয়তো দেরিতে বুঝেছে। কিন্তু তাদের গল্পটা অন্যদের জন্য একটা দরকারী দর্পণ হতে পারে — যারা এখনো সুযোগের মধ্যে আছেন, তাদের জন্য।

তথ্যসূত্র

Cognitive Market Research — HTC’s Downfall: How a Smartphone Pioneer Lost

আর পড়ুনঃ একটি পণ্য, দুটি সত্য: Apple থেকে Hermès — বিলাসবহুল ব্র্যান্ড কীভাবে আমাদের মনোবিজ্ঞানকে ব্যবহার করে এবং কেন আমরা বারবার কিনি ?

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *