দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক যুদ্ধ: বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান

দক্ষিণ এশিয়াকে আমরা প্রায়ই একটি “উদীয়মান অঞ্চল” হিসেবে দেখি — দ্রুত প্রবৃদ্ধি, তরুণ জনগোষ্ঠী, আর সম্ভাবনার এক বিশাল বাজার। কিন্তু এই বর্ণনার নিচে যা চাপা পড়ে থাকে, সেটা অনেক বেশি জটিল। আসলে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক যুদ্ধ— যেখানে দেশগুলো শুধু বাজার নয়, একে অপরের দুর্বলতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ খুঁজছে। World Bank-এর সাম্প্রতিক South Asia Development Update (এপ্রিল ২০২৫) বলছে, অঞ্চলটির GDP প্রবৃদ্ধি ২০২৫ সালে ৬.৬% হবে — সংখ্যাটা চমৎকার শোনায়, তাই না? কিন্তু প্রবৃদ্ধির হার দিয়ে প্রকৃত শক্তি মাপা যায় না। আসল প্রশ্ন হলো: চাপের মুখে কে টিকে থাকতে পারবে, আর কে ভেঙে পড়বে?

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক যুদ্ধ: তিনটি ভূমিকা, তিনটি বাস্তবতা

এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে অঞ্চলটাকে তিনটি স্তরে ভাগ করে দেখা দরকার। আমরা এ ৩টার উত্তর খুঁজবো। 

ভারত এই অঞ্চলের নিরঙ্কুশ অর্থনৈতিক নোঙর। আঞ্চলিক GDP-র প্রায় ৮০ শতাংশ তার। ২০২৫ সালে IMF-এর হিসাব  অনুযায়ী ভারতের ৬.৬% প্রবৃদ্ধি, আর World Bank বলছে FY২০২৫-২৬-এ ৭.৬%। শুধু তাই নয় — ভারত এই বছরই জাপানকে পেছনে ফেলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার পথে। কিন্তু ভারতের প্রভাব শুধু বাজারের আকারে নয়। ট্রানজিট অ্যাক্সেস, পানি বণ্টন, ঋণ — এই সবকিছু ভারত প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্কে কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। এটাকে ভদ্রতার সাথে “আঞ্চলিক নেতৃত্ব” বলা যায়। বাস্তবে এটা আঞ্চলিক আধিপত্য।

তারপর আছে দ্বিতীয় স্তর — বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা। এরা “ঝুঁকিপূর্ণ ভারসাম্যকারী।” অর্থাৎ এরা রপ্তানি বা ঋণনির্ভর, IMF-এর শর্তের মুখে দাঁড়ানো, মুদ্রামানের চাপে জর্জরিত। ২০২২ সালের পর থেকে এই তিনটি দেশেই বেশ বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে — সরাসরি অর্থনৈতিক সংকটের কারণে। শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশে বিপ্লবের কারণে সরকার পতন হয়েছে, পাকিস্তান ২৫ বার IMF কর্মসূচিতে এসেছে, যা বিশ্বরেকর্ড। শ্রীলঙ্কা ২০২২ সালে সার্বভৌম ঋণখেলাপি হয়েছিল। বাংলাদেশ এই তালিকায় তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে আছে — কিন্তু “তুলনামূলকভাবে” কথাটা এখানে বেশ ভারী।

তৃতীয় স্তরে নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ। ছোট অর্থনীতি, ভারত-চীন প্রতিযোগিতার সরাসরি শিকার। মালদ্বীপ এখন Fitch-এর CC রেটিং-এ — অর্থাৎ প্রায় ডিফল্টের দরজায়। চীনের ঋণ সেখানে মোট বৈদেশিক ঋণের প্রায় ৪০ শতাংশের বেশি।

অর্থনৈতিক অস্ত্রগুলো কী?

এই যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র নেই। অস্ত্র হলো ঋণ, পানি, বাণিজ্য পথ, রেমিট্যান্স।

পানির কথাই ধরা যাক। ভারত পানির বিষয়ে বাংলাদেশের সাথেই সবচেয়ে কঠিন রাজনীতি করে। বাংলাদেশের সাথে ৫৪টি অভিন্ন নদী ভাগ করে, এবং প্রায় সব নদীতেই ভারত উজান দেশ। ফারাক্কা বাঁধ এখানে একটা কঠিন অবস্থানে থাকে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে তারা পানির বাঁধ ছেড়ে দেয়। ২০২৪ সালেও সেম কাজ করেছিল। ফলে বাংলাদেশের নিচু অঞ্চলগুলো ব্যাপক বন্যার সম্মুখীন হয়। এ বাঁধ ১৯৭৫ সাল থেকে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে মরুকরণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেছে। এছাড়াও ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানিচুক্তি ডিসেম্বর ২০২৬-এ মেয়াদ শেষ হবে — এবং এই চুক্তির নবায়ন এখন সরাসরি ভূরাজনৈতিক দরকষাকষির বিষয় হয়ে উঠেছে। তিস্তা চুক্তি ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে। চীন সেখানে ১০০ কোটি ডলারের বিকল্প প্রকল্প অফার করেছে।

ঋণের কথায় আসি। World Bank-এর তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ঋণের পরিমাণ প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানে চীনের ঋণ ২৯ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে — মোট বৈদেশিক ঋণের ২৮ শতাংশের বেশি। শ্রীলঙ্কার Hambantota বন্দর ৯৯ বছরের লিজে চীনকে দিতে হয়েছে ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে। বাংলাদেশে চীনের ঋণ এখন ৭-৮ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি, এবং ২০২৫ সালের মার্চে আরও ২.১ বিলিয়ন ডলার ঋণ চুক্তি হয়েছে — ৩০ বছরের পরিশোধ মেয়াদ সহ।

এপ্রিল ২০২৫-এ ভারত বাংলাদেশের ট্রানশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করে দিয়েছে। কারণ? মূলত কূটনৈতিক উত্তেজনা — অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বেইজিং সফরে উত্তর-পূর্ব ভারতকে “স্থলবেষ্টিত” অঞ্চল বলার প্রসঙ্গ। প্রভাব হিসেবে প্রায় ৭৭০ মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পোশাক রপ্তানির লজিস্টিক্স খরচ ১৫-২০ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ: সত্যিকারের অবস্থান কী?

বাংলাদেশকে প্রায়ই “উন্নয়নের সাফল্যের গল্প” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এই বর্ণনাটা মিথ্যা নয়, কিন্তু পুরোনো। ২০১৩ থেকে ২০২২ পর্যন্ত গড় ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি সত্যিই চমকপ্রদ। কিন্তু এই প্রবৃদ্ধি একটি অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত, একটি খাতনির্ভর রপ্তানি কাঠামোর উপর দাঁড়িয়ে — এবং ২০২২-২০২৫-এর চাপে সেই কাঠামোর দুর্বলতাগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

WTO-র ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক — ৩৮.৪৮ বিলিয়ন ডলার, বৈশ্বিক বাজারের ৭.৪ শতাংশ। শুনতে ভালো লাগে। কিন্তু এই রপ্তানির ৮০ শতাংশই আসে পোশাক খাত থেকে, এবং সেই পোশাকের ৭৯ শতাংশ মাত্র পাঁচটি মৌলিক পণ্য — ট্রাউজার, টি-শার্ট, সোয়েটার, শার্ট, জ্যাকেট। এটা বৈচিত্র্য নয়, এটা একটি একক বাজি।

ভিয়েতনামের তথ্যটা এখানে প্রাসঙ্গিক। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ০.২১ শতাংশ। একই বছর ভিয়েতনামের বৃদ্ধি ৯.৩৪ শতাংশ। ভিয়েতনাম এখন তৃতীয় স্থানে — এবং দ্রুত এগোচ্ছে। EU-Vietnam FTA ইতিমধ্যে কার্যকর। US বাজারে ভিয়েতনামের অংশ ২১.৫ শতাংশ, বাংলাদেশের ১০.৫ শতাংশ।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বিষয়টা আরও সরাসরি উদ্বেগের। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ ছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালে তা নেমে এসেছিল প্রায় ১৯.৫ বিলিয়ন ডলারে — ৫৮ শতাংশ পতন। রেকর্ড রেমিট্যান্স (FY২০২৪-২৫-এ ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার) এবং IMF-World Bank ছাড়ের সহায়তায় এখন কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়েছে — মার্চ ২০২৬-এ গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪.১ বিলিয়ন ডলার। তবে নেট রিজার্ভ এখনও স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে নেই।

ব্যাংকিং খাতের অনাদায়ী ঋণ (NPL) ডিসেম্বর ২০২৪-এ দাঁড়িয়েছে ২৮.৫৭ বিলিয়ন ডলারে — ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে যা ছিল ১২.৮ বিলিয়ন। নতুন IMF-নির্দেশিত ৯০-দিনের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতিতে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

ভূরাজনৈতিক অবস্থান: সুযোগ না ফাঁদ?

বাংলাদেশের অবস্থানটা আকর্ষণীয় — এবং বিপজ্জনকও। ভারত ও চীন উভয়েই বাংলাদেশকে দরকার। ভারতের জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সংযোগ এবং বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত প্রবেশাধিকার গুরুত্বপূর্ণ। চীনের জন্য Chittagong বন্দর এবং বঙ্গোপসাগরে উপস্থিতি দরকার। এই “দ্বৈত চাহিদা” মূলত লিভারেজ।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে অন্তর্বর্তী সরকার চীনের দিকে আগের যেকোনো সরকারের চেয়ে দ্রুত ঝুঁকেছে। মার্চ ২০২৫-এ বেইজিং সফর, ২.১ বিলিয়ন ডলার ঋণ চুক্তি, ১২ বছর পর পাকিস্তানের Aman-2025 নৌ মহড়ায় অংশগ্রহণ — এগুলো সংকেত। Chatham House-এর জুন ২০২৫-এর জরিপ বলছে, ৭৫ শতাংশ বাংলাদেশি চীনকে অনুকূলভাবে দেখছে; ভারতের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা মাত্র ১১ শতাংশ।

ভারত সরাসরি জবাব দিয়েছে — ট্রানশিপমেন্ট বাতিল, স্থলবন্দর সীমাবদ্ধতা, এবং ডিসেম্বর ২০২৬-এ মেয়াদ শেষ হওয়া গঙ্গা পানিচুক্তিকে দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে রেখে দেওয়া।

প্রশ্ন হলো: এই চীনঝোঁকা কি কৌশলগত দরকষাকষি, নাকি সত্যিকারের alignment পরিবর্তন? উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু যদি এটা alignment হয়ে যায়, তাহলে বাংলাদেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ — উভয় পক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় থাকার ক্ষমতা — হারিয়ে যাবে।

যা দেখা যাচ্ছে না, সেটাই আসল বিপদ

মূলধারার বিশ্লেষণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রায়ই উপেক্ষিত থাকে।

পোশাক খাতকে “স্থায়ী তুলনামূলক সুবিধা” হিসেবে দেখার প্রবণতা বিপজ্জনক। এটা খরচের প্রতিযোগিতা, দক্ষতার নয়। Sewbot প্রযুক্তি এবং AI-চালিত ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট ইতিমধ্যে বড় ব্র্যান্ডগুলো ব্যবহার করছে। ট্রাউজার আর টি-শার্ট — ঠিক যে পণ্যগুলোতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল — সেগুলোই প্রথম স্বয়ংক্রিয় হওয়ার পথে।

ভারতের PLI (Production Linked Incentive) প্রকল্প সরাসরি টেক্সটাইল ও পোশাককে লক্ষ্য করে। EU-India FTA যদি চূড়ান্ত হয়, ভারতীয় পোশাক ইউরোপে শুল্কমুক্ত প্রবেশ পাবে। তখন বাংলাদেশের LDC-ভিত্তিক EBA সুবিধা আর অর্থহীন হয়ে যাবে। এটা ১০ বছরের ঝুঁকি নয় — ৩-৫ বছরের।

এছাড়া এপ্রিল ২০২৫-এ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। ভিয়েতনামের শুল্ক বেশি (৪৬ শতাংশ), কিন্তু ভিয়েতনামের পণ্যবৈচিত্র্য এবং US বাজারে অবস্থান অনেক শক্তিশালী। পণ্য কূটনীতি — গম ক্রয় চুক্তি — দিয়ে এই শুল্ক নামানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কোনো কাঠামোগত সমাধান এখনো আসেনি।

পথ কোনটা?

এই বিশ্লেষণ থেকে যা বেরিয়ে আসে তা হলো, বাংলাদেশের সামনে তিনটি সম্ভাব্য গতিপথ আছে। প্রথমটি — ভারসাম্যপূর্ণ বহুমুখী কূটনীতি, ধীরে ধীরে রপ্তানিবৈচিত্র্য, IMF সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া। এটা সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি। দ্বিতীয়টি — চীন অক্ষ গভীর হওয়া, ভারতের সাথে পালটা ব্যবস্থা তীব্র হওয়া, পোশাক খাতের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ক্ষয়। তৃতীয়টি — একাধিক বাহ্যিক ধাক্কা একসাথে — উপসাগরীয় মন্দায় রেমিট্যান্স পতন, EU সুবিধা বাতিল, US শুল্ক অব্যাহত — যা রিজার্ভকে আবার চাপে ফেলতে পারে। 

যদি ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করা হয়, বাংলাদেশকে নিজস্ব বলয়ে উপরে উঠতে হলে তাকে সব পক্ষের সাথে সমান করে চাল মিলিয়ে চলতে হবে৷ কিন্তু জিও পলিটিক্সে একটা বিষয় আছে, আপনার কোন বন্ধু নেই স্বার্থ ছাড়া। ঠিক এখানে বাংলাদেশ সবার স্বার্থ রক্ষা করে চলতে গিয়ে সবচেয়ে বড় বিপদে পড়েছিল। যার চাক্ষুস প্রমান শেখ হাসিনার পতন৷ কেননা শেখ হাসিনার সরকার সবসময় ভারতপন্থী হওয়ায়, এবং দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাওয়ায় শেখ হাসিনাকে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী বিপ্লবে দেশ ছাড়তে হয়েছে৷ বর্তমান বিএনপি সরকারের জন্য এটি একটা চিন্তার বিষয় হতে যাচ্ছে। সবচেয়ে সহজ এবং প্রধান সমাধান হবে দেশীয় স্বার্থ প্রাধান্য দিয়ে বৈশ্বিক দেশগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে চলা

বাংলাদেশ ভঙ্গুর বলেই নয়, বরং অসাধারণ উৎপাদন ক্ষমতাকে একটি মাত্র খাতে, একটি মূল্যস্তরে, এবং গুটিকয়েক বাজারে কেন্দ্রীভূত করেছে বলেই এই ঝুঁকি। যে কাঠামোটি এত দ্রুত প্রবৃদ্ধি এনেছে, সেটিই এখন কৌশলগত বোঝা হয়ে উঠছে।

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক যুদ্ধে বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে আছে কি? আংশিকভাবে। লিভারেজ আছে — ভৌগোলিক, বন্দর-কেন্দ্রিক, সরবরাহ শৃঙ্খলের। কিন্তু সেই লিভারেজ রক্ষা করার জন্য যে কৌশলগত সংযম, অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, এবং আর্থিক শৃঙ্খলা দরকার — সেগুলো এখনও কাজ চলছে, শেষ হয়নি।

তথ্যসূত্র: World Bank South Asia Development Update (এপ্রিল ২০২৫); IMF WEO (এপ্রিল ২০২৫); WTO World Trade Statistics 2024; Bangladesh Bank; BGMEA; US State Department Investment Climate Statement 2025; ESCAP Energy Outlook 2026; Chatham House Bangladesh Survey (জুন ২০২৫); ORF; The Diplomat; Logistics Insider; AidData.

আর পড়ুনঃ প্রবৃদ্ধির গল্প, পকেট ফাঁকা: বাংলাদেশের অর্থনীতি কি সত্যিই এগিয়ে যাচ্ছে?

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *